পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা?

পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা?


গলব্লাডার বা পিত্তথলির পাথর খুবই একটি পরিচিত নাম। বর্তমানে গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে পাথর বহু মানুষের হয়ে থাকে। একে আবার গলস্টোনও বলা হয়ে থাকে। আরা গলস্টোনই কোলেস্টেরল জমে তৈরি হয়। অনেক কিছু কারণ থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভবনা থাকে। অনেক বেশি কোলেস্টেরল আছে এমন খাবার খাওয়া গলস্টোন বা পিত্তথলির পাথর হওয়ার আশঙ্কাকে অনেকগুন বাড়িয়ে দেয়। তবে বর্তমানে গলস্টোন বা পিত্তথলিতে পাথর হওয়া কোন জটিল রোগ নয়। কিন্তু যদি সময়মতো এর চিকিৎসা না করা হয় তাহলে তা জটিল আকার ধারণ করতে বেশি সময় নেয় না।

Best Camera Phone- Yaarto.com

গলস্টোন হওয়ার কারন 

১) যেসব নারী নিয়মিত হরমোন নেন বা ঔষধ খান তাদের পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।

২) বেশি কোলেস্টরল যুক্ত খাবার খেলে পিত্তথলিতে পাথর হয়।

৩) বছরের পর বছর ধরে গ্যাস বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করার ফলে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

৪) গলব্লাডারে পাথর হওয়ার আর একটি কারণ হল গর্ভধারন। তার কারন কোন মহিলা গর্ভধারন করলে তার চলাফেরা অনেক কমে যায়। এর ফলে পিত্তথলির ফাংশনটা অনেকটা কমে যায়। যার ফলে গলস্টোণ হয়।

৫) যে সমস্ত মানুষ শারীরীক পরিশ্রম কম করে তাদেরও পিত্তথলির মধ্যে পাথর হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৬) পরিবারে যদি কারো গলব্লাডারে পাথর হয়ে থাকে তাহলে পরিবারের অন্যদেরও পিত্তথলির মধ্যে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পিত্তথলিতে পাথর

Huawei Y9 (2019) Best Price in India 2019, Specs & Review |Yaarto

 

 

৭) স্থুলকায় শরীর গলব্লাডারে পাথরের এক অন্যতম প্রধান কারণ। এই জন্য আমেরিকায় দশ ভাগ লোক এর গলব্লাডারে পাথর হয়ে থাকে।

৮) শিশুদেরও গলব্লাডারে পাথর হয়ে থাকে।  শিশু দের ক্ষেত্রে যদি রক্তে লোহিত কণিকা ভেঙ্গে যায় সেক্ষেত্রে গলব্লাডারে পাথর  হতে পারে।

কিভাবে বুঝবেন

প্রথমে পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা হবে পরে ব্যথা ধীরে ধীরে পেছনে বা ডান কাঁধে আসে এবং মাঝ বরাবর ছড়িয়ে পড়ে, এর সাথে সাথে হালকা জ্বর হতে পারে, সবসময় বমি বা বমি বমি ভাব লাগবে, জন্ডিস হওয়ার সম্ভবনা থাকতে পারে।

এর ফলে কি কি হতে পারে

 পিত্তরস নিঃসরণে প্রতিবন্ধকতা, পিত্তথলির প্রদাহ, জন্ডিস হতে পারে, অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হবে, সবশেষে পিত্তথলির মধ্যে ক্যান্সার হতে পারে। তাই এর চিকিৎসা সময়মত করা একান্ত প্রয়োজন।

এর চিকিৎসা

রোগীর অবস্থার উপর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে। যদি কোন রোগী তীব্র ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় তাহলে রোগীর ব্যাথাকে প্রথমে ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। চিকিৎসকের ভাষায় একে কনজারভেটিভ চিকিৎসা বলা হয়ে থাকে। যদি রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হয় তাহলে সার্জারির মাধ্যমে পিত্ত থেকে পাথর অপসারণ করা হয়। এই সার্জারি দুইভাবে করা যায়। এক হল ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেকটমি এবং উন্মুক্ত কোলেসিস্টেকটমি

Samsung Galaxy A9 Pro – Price, Reviews & Specs | Yaarto

অনেক রোগী চান যাতে ওষুধ খেয়ে পাথর গলাতে। বর্তমানে পাথর গলানোর কোনো ওষুধ নাই। তবে অনেক দেশে এক ধরনের উপায় আছে – যারা পেট না কেটে চিকিৎসা করাতে চান। এই পদ্ধতিতে কিডনীর পাথর যেরকম ভাবে ভেঙ্গে দেওয়া হয় ঠিক তেমনি গলব্লাডারের বা পিত্তথলির পাথরও ভেঙে দেওয়া হয়। কিন্তু ভাঙ্গা পাথর টি বের করতে ইআরসিপি প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইআরসিপি একটি অনেক বড় চিকিৎসা। তাই সবচেয়ে উত্তম উপায় হল অপারেশন করে পাথর বের করে দেওয়া। এর ফলে গলব্লাডারের পুরো থলিটাই কেটে বাদ দিয়ে দিতে হয়।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *