অ্যাপেন্ডিক্স কি এবং কেন হয় ? কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা যা আপনার জানা দরকার।

অ্যাপেন্ডিক্স (Appendix) কি এবং কেন হয় ? এর ঘরোয়া চিকিৎসা।


যারা এই রোগে ভুক্তভোগী তারাতো জানেনই এছাড়াও প্রায় সকলেই জানে যে অ্যাপেন্ডিক্স (Appendix) হলে তা কেটে বাদ দিতে হয়। মানব শরীরের বৃহদান্ত্রের শুরু তে যে একটি ছোট্ট কৃমি আকৃতির অঙ্গ থাকে তাকেই আমরা সাধারনত ভারমিফরম অ্যাপেন্ডিক্স বলে থাকি। আকার, আকৃতি ও কর্মে এটি বৈচিত্র্যময় অঙ্গ। এটি .৭ থেকে ৭ ইঞ্চি মতো লম্বা হয়ে থাকে। মানব শরীরে এর কোনো দরকার বা কাজ নেই। এটি সাধারণত পেটের নিচের দিকে ডান পাশে থাকে। এর ভেতরটা পুরো ফাঁকামল, কৃমি,বা পাথর জাতীয় কোনো কিছু এর ভেতরে ঢুকে গেলে সহজে বের হতে পারে না। এছাড়া সামান্য প্রদাহে এই গহ্বরটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই অ্যাপেন্ডিক্সের ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হলে তাকে বলে হয় অ্যাপেন্ডিসাইটিস (Appendix), যার ফলে অ্যাপেন্ডিক্স ফুলে ওঠে এবং তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হয়।

অ্যাপেন্ডিক্স

আমেরিকায় বসবাসকারী জনসংখ্যার মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ মানুষ তাঁদের জীবদ্দশায় আ্যাপেন্ডিসাইটিসে ভোগে থাকে। যুবক যুবতীদের মধ্যে এই রোগের প্রবণতা সবথেকে বেশি দেখা যায়। মল বা খাবারের টুকরো অ্যাপন্ডিক্সে আটকে গেলে সেখান থেকে ইনফেকশন সৃষ্টি হয়। তারপর থেকে ব্যাথা, জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে শুরু হয়। যদি এই রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে তাহলে ওযুধের মাধ্যমে সারিয়ে তুলা সম্ভব। কিন্তু অনেক সময় জীবনহানীর সম্ভবনা থেকে যায়। এই রোগ হলে অবশ্যই অপারেশন করিয়ে চিকিৎসা করিয়ে নেওয়াই ভালো। বর্তমানে ল্যাপ্রোস্কপি বা মাইক্রোসার্জারির অ্যাপেন্ডিক্স চিকিৎসা করা হয়। তবে বয়স্ক মানুষদের অ্যাপেন্ডিক্স (Appendix) হলে তা বেশ জটিল আকার ধারণ করে নেয়। মাত্র ৭ শতাংশ আমেরিকান এই সমস্যায় ভোগেন। আমাদের দেশের বা এশিয়া মহাদেশের লোকেরা এই সমস্যায় সবথেকে বেশি ভোগেন।

অ্যাপেন্ডিক্স রোগ নির্ণয়ঃ

১) রোগীর রোগ বৃত্তান্ত এবং শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।

২) অ্যাপেন্ডিক্স নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বা প্যাথলজিক্যাল টেস্ট করার কোন প্রয়োজন নেই। তবে যদি ডাক্তার বা চিকিৎসক সন্দেহাতীত না হন তাহলে পেটের এক্স -রে বা প্রস্রাব পরীক্ষা অথবা তলপেটের আলট্রাসনোগ্রাফি করার জন্য পরামর্শ দিতে পারেন। তবে এর কিছু উপসর্গ আছে যা নিচে আলোচনা করা হয়েছে তা দেখে আপনি একটি সাধারণ নির্ণয় করতে পারেন।

অ্যাপেন্ডিক্স

অ্যাপেন্ডিক্স উপসর্গঃ

১) অ্যাপেন্ডিক্স হলে প্রথমে নাভীর চারদিকে তীব্র ব্যথা অনুভুত হয়। পরে এই ব্যাথা তলপেটে ডান দিকে অর্থাৎ নাভী ও কোমরের হাড়ের মাঝামাঝি জায়গায় স্থায়ী হয়। তারপর ব্যাথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে শুরু করে।

২) বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। সারাদিন বমি বমি ভাব লাগবে।

৩) জ্বর হতে পারে অথবা সবসময় জ্বর জ্বর ভাব লাগবে। তবে এই ক্ষেত্রে জ্বরের মাত্রা খুব বেশি হয় না।

৪) খাবারে অরুচি থাকবে। কিছু খেতে ভাল লাগবে না। মুখের মধ্যে সবসময় তেঁতো ভাব থাকবে।

৫) পেট শক্ত হয়ে যাবে।

চিকিৎসাঃ

অ্যাপেন্ডিক্স রোগের একমাত্র চিকিৎসা হল অপারেশন করিয়ে অ্যাপেন্ডিক্স বাদ দেওয়া। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা  ওষুধে এ রোগ সাধারণত সারে না। এই রোগ দেখা দিলে ২৪ ঘণ্টা বা তার থেকেও কম সময়ের মধ্যে অপারেশন করতে হয়। তা না হলে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপারেশন ২৪ ঘণ্টাই না করালে মৃত্যুঝুঁকি আমাদের দেশে প্রায় প্রতি ১ হাজারে মানুষের মধ্যে ১ জন। আবার অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাওয়ার পর অপারেশন করালে মৃত্যুঝুঁকি আমাদের দেশে বা এশিয়া মহাদেশে প্রতি ১ হাজারে প্রায় ২০ থেকে ২২ জন। আর অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন না কোরানয় মৃত্যুঝুঁকি প্রতি ১ হাজারে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন। তাই অবশ্যয় যদি কারো অ্যাপেন্ডিক্স হয়ে থাকে তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপারেশন করিয়ে নেওয়া খুবই ভাল। অনেকে অপারেশন নাম শুনেই ভয়ে হয়ে যায়। জেনে রাখুন এই অপারেশন একটি খুবই সাধারণ অপারেশন এতে ভয় পাবার কিছু নেই।

অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশনঃ

অ্যাপেন্ডিক্স মানুষের শরীরের জন্য জরুরি অঙ্গ নয় তাই এটি অপারেশন করে কেটে ফেলতে পারেন। ব্যথা বুঝার সাথে সাথে চিকিৎসকের কাছে যাবেন এর পরামর্শ নিতে।
অ্যাপেন্ডিক্স সাধারণত দুই ভাবে অপারেশন করা হয়, তার মধ্যে একটি হল পেট কেটে অপারেশন করা এবং দ্বিতীয়টি হল ল্যাপারোস্কোপ দিয়ে অপারেশন করা। আর এই দুটি অপারেশনের মধ্যে পার্থক্য হল একটাই, পেট কেটে অপারেশন করলে পেটে সেলাই এর দাগ থাকবে আরা ল্যাপারোস্কোপ এর মাধ্যমে অপারেশন করলে পেটে কোন দাগ থাকবে না।

অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন করার পরের সমস্যাঃ

শরীরে অ্যাপেন্ডিক্সের কাজ এতোই কম যে, এটি শরীর থেকে বাদ দিলেও শরীর তেমন কোনো সমস্যা হয় না। আপনি অ্যাপেন্ডিক্স হওয়ার আগে যেমন কাজকর্ম করতেন সেই রকমি করতে পারবেন। আবার আপনার খাওয়া-দাওয়াতেও কোনো ধরনের সমস্য হবে না। আপনি আগে যেমন ছিলেন সেই অবস্থাতেই আবার ফিরে যাবেন। তাই দেরি না করে এর চিকিৎসা করান।

অ্যাপেন্ডিক্স

Best Mobile Under 10000 in 2019

অ্যাপেন্ডিক্স এর কিছু ঘরোয়া চিকিতসাঃ

কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আছে যা নিয়মিত করলে এই রোগ থেকে মুক্ত পেতে পারেন বা এর ব্যথা থেকে দূর থাকতে পারেন। তবে এই ঘরোয়া উপায় ব্যাবহার করার সাথে সাথে চিকিৎসকের সাথে অবশ্যয় পরামর্শ করে নেবেন।

১। রসূন

অ্যাপেন্ডিক্স রোগ নিরাময়ে রসুন একটি কার্যকরী উপাদান। এটি অ্যাপেন্ডিক্সের ফোলা কমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত রসূন খাওয়া খুবই ভাল।

২। মুগ ডাল

অ্যাপেন্ডিক্স এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং কার্যকারী ঘরোয়া প্রতিকার এর একটি উপাদান হচ্ছে মুগ ডাল । এক মুঠো মুগ ডাল এক বাটি জলে সারারাত ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে এই মুগ ডালের মিশ্রণ টি থেকে এক টেবিল চামচ পরিমান পান করে নিন। এর কার্যকরী ফল পেতে প্রতিদিন ৩ বার করে পান করুন।

৩) আস্ত গম 

আস্ত গম একটি উপকারি উপাদান। এটি যেমন হজমের জন্য খুবই উপকারি তেমনি অ্যাপেন্ডিক্স এর জন্যও একটি কার্যকারী ঘরোয়া প্রতিকার।

৪) জল

অ্যাপেন্ডিক্স সুস্থ রাখার জন্য জলের খুব প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে জল পান করুন।

৫) তাজা শাকসবজি

এই রোগে আক্রান্ত রোগীর জন্য তাজা শাকসবজি খাওয়া খুবই উপকারি। অ্যাপেন্ডিক্স রোগে আক্রান্ত রোগী কে প্রতিদিন দুই বার করে ১০০ মিলিলিটার বিটশসা রসের সাথে সমপরিমাণ গাজরের রস মিশিয়ে খেতে হবে। এতে রোগী খুবই উপকার পাবে।

৬) পুদিনা পাতা

অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা কমানোর জন্য পুদিনা পাতার কয়েক ফোঁটা রস জলে মিশিয়ে দিনে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর পর পান করতে হবে। এতে ব্যাথার উপশম হবে।

Airtel Plans- Prepaid Recharge Plans

৭) তুলসি পাতা

তুলসি পাতা অ্যাপেন্ডিক্স এর জন্য খুবই উপকারি। তুলসি পাতা যেমন গ্যাস ও বদহজমের জন্য উপকারি তেমনি অ্যাপেন্ডিক্স এর জন্যও। প্রত্যেক দিন ৫-৬ টি কাঁচা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। এতে এই রোগের উপসর্গ গুলি নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

৮) লেবুর রস

লেবুর রস অ্যাপেন্ডিক্স নিরাময় এর জন্য খুবই উপকারি। একটি লেবু নিয়ে তার সমস্ত রস বের করে তার সাথে সমপরিমাণ কাঁচা মধু মিশিয়ে দিনে কয়েকবার পান করুন। এই ভাবে নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ পান করুন। লেবুর রস অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা কমাতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বদহজম প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৯) মেথি পাতা

মেথি পাতা সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এই মেথি পাতা অ্যাপেন্ডিক্স রোগীর জন্য খুবই উপকারি। এক চা চামচ মেথি পাতা ঠাণ্ডা জলে মিশিয়ে নিয়ে আগুনে কয়েক মিনিত ফুটিয়ে নিন। তার পর এই মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করে চায়ের মত পান করুন। এই মিশ্রণটি অ্যাপেন্ডিক্স এর ভিতরে অত্যাধিক মিউকাস পুঁজ হতে দেয় না। তাই এটি নিয়মিত পান করুন। এছাড়া অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা কমানোর জন্য একটি কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে পেটে জড়িয়ে তার উপর শুষ্ক পশমী  কাপড় শক্ত করে বেধে দিন। দেখবেন ব্যথা অনেকটা কমে গেছে।

আপনার অবশ্যয় এগুলি জানা দরকারঃ

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

অ্যাপেন্ডিক্স মানুষের শরীরে অনেক বড় ক্ষতি করতে পারে। উপরোক্ত ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে অ্যাপেন্ডিক্স জ্বলন এবং ব্যথা কমানো যায়। এগুলি যদি কয়েক দিন ব্যবহার করার পরেও অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা থেকে মুক্ত হতে না পারেন তাহলে অপারেশনের মাধ্যমে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করা একান্ত প্রয়োজন। খুব বেশিদিন অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা নিয়ে অপেক্ষা করা ঠিক একেবারে নয় কারণ এতে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই যত দ্রুত পারেন চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মত পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে অপারেশন এর প্রস্তুতি নিন। সুস্থ থাকুন।

আমাদের এই পোস্ট টি পড়ে যদি একটু উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে এটি শেয়ার করে আপনার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনদের জানার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।

 

Samsung Galaxy J8 Price in India, Full Specification, Features

Clerk, Pump Operator, Mazdoor, Driver etc Recruitment 2019-20…

লিভার

৪ টি ঘরোয়া টোটকা যা আপনার লিভার কে ভাল রাখতে সাহায্য করবে।

৪ টি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা লিভার কে ভাল রাখতে কাজে লাগান। লিভারঃ- লিভার বা যকৃৎ আমাদের শরীরের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যা আমাদের দেহের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে থাকে। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে যদি লিভার তার নিজস্ব কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তাহলে কি হবে। আপনার শরীরের সমস্ত ক্ষতিকারক টক্সিন শরীরেই থেকে যাবে। এর ফলে আপনার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ একে একে বিকল হতে শুরু করবে। লিভারের প্রধান কাজ হল শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন কে দেহ থেকে বের করা। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে যকৃৎ বা  লিভারের কর্মক্ষমতা স্বাভাবিক রাখা একান্ত জরুরি। আর যকৃতের কর্মক্ষমতা স্বাভাবিক তখনই নিশ্চিত করা যায়, যখন আপনার পেট পরিষ্কার থাকবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক লিভার বা যকৃৎ সুস্থ রাখতে অত্যন্ত কার্যকর ৪ টি ঘরোয়া টোটকা। ১) পর্যাপ্ত
0 comments
এইডস

এইডস রোগের (HIV) লক্ষণ, কারন, চিকিৎসা এবং প্রতিকারের উপায়

HIV এইডস রোগের লক্ষণ, কারন, চিকিৎসা এবং প্রতিকারের উপায় HIV এইডস – এক ধরনের ভাইরাস ঘটিত রোগ। এইচ আই ভি (HIV) এক ধরনের ভাইরাস জার নাম হল Human immunodeficiency virus. এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত মানুষকে এইচ আই ভি পজিটিভ বলা হয়ে থাকে (HIV+) । মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অকেজো করে ফেলা হল এর প্রধান কাজ। HIv Aids এর ফলে মানব দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি হয়। মানব দেহের সমস্ত অঙ্গ প্রতঙ্গকে অকেজো করে ফেলে।  ২০১৮ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীর মত জনসংখ্যার ৩৮ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। HIV Aids।। HIV এইডস রোগের কারনঃ প্রতিদিন এই রোগ মহামারির আকার ধারন করছে। প্রতিদিন মেলামেশা ও কাজকর্ম এর মাধ্যমে, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস, একই সাথে খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে, আবার যৌন মিলনের মাধ্যমে এই রোগের উৎপত্তি হয়,
0 comments
জন্ডিস

জন্ডিস হলে কি করবেন।

জন্ডিস হলে কি করবেন? জন্ডিস কি? কেন? লক্ষন, করনীয়,চিকিৎসা শরীরের রক্তস্রোতে অস্বাভাবিক উপায়ে বাইল-পিগমেন্ট বা বিলিরুবিন অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার ফলে দেহের ত্বক এবং চোখের সাদা অংশ হলুদ বর্ণ ধারণ করলে তাকে আমরা জন্ডিস বলে থাকি। বলতে গেলে জন্ডিস কোনো রোগ নয়, এটি বিভিন্ন রোগের লক্ষণমাত্র। জন্ডিসের মাত্রা বেশি হলে দেহের পা-হাত এবং শরীরেরও হলদে ভাব দেখা যায়। জন্ডিস হলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয় লিভার। লিভার দেহের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর ফলে অনেক সময় জীবননাশেরও আশঙ্কা থাকে। তাই জন্ডিস হলে দ্রুত ডাক্তার সাথে পরামর্ষ করা দরকার। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস হয়ে থাকে। রক্তের মধ্যে থাকা লোহিত কণিকাগুলি স্বাভাবিক নিয়মেই ভেঙে গিয়ে বিলিরুবিন তৈরি করে, এর পরে এগুলি লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের সঙ্গে মিশে পিত্তনালির মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ
0 comments
কিছু খাবারের গুনাগুন

কিছু খাবারের গুনাগুন

কিছু খাবারের গুনাগুন যা আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন। আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন ধরণের খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু কোন খাবারে কি গুন তা আমাদের অনেকের জানা নেই। আমরা রোজ বিভিন্ন ধরণের শাকসবজি খায়। আর এই সব্জির মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য গুন যা আমাদের দেহে সরবরাহ হয়। আমাদের শরীরে ভিটামিন, প্রোটিন ও ফ্যাট এর প্রয়োজন হয়। আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে এই শাকসবজি। তাহলে চলুন জেনেনি কোন খাবারের কি গুনঃ- অ্যালোভেরা গাছের উপকারিতা ১) ঢেঁড়স ঢেঁড়স দেখতে অনেকটা মেয়েদের আঙ্গুলের মত তাই একে লেডি ফিঙ্গার বলা হয়ে থাকে। ঢেঁড়স এর পিছিলভাবের জন্য এই সব্জিটি অনেকে খেতে চায় না। তবে এর মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য গুন রয়েছে। আমাদের ত্বকের জন্য ঢেঁড়স খুবই উপকারি। ঢেঁড়স দেহের রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য
1 comment

 

2 Comments

  1. Sk Nuramin March 29, 2019 Reply
  2. Sk Rahamatulla March 29, 2019 Reply

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *